শিরোনাম
স্টাফ রিপোর্টার : | ০৬:৫৬ পিএম, ২০২৬-০৮-১০
এস.এফ.এম.মোস্তাঈন বিল্লাহ:
বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় ২০২৬ সালের এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে ফুটে উঠেছে সাফল্য-ব্যর্থতার মিশ্র চিত্র। কোনো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঈর্ষণীয় ফলাফল অর্জন করলেও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে পাসের হার নেমে এসেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। তবে সবকিছুকে ছাপিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে আলীকদম চৈক্ষ্যং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ফলাফল নিয়ে সৃষ্ট তথ্যগত অসঙ্গতি।
সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এবারের ফলাফলে উপজেলার সর্বোচ্চ পাসের হার অর্জন করেছে আলীকদম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ। প্রতিষ্ঠানটির ৪২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪১ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৯৭.৬২ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।
ফলাফলের দিক থেকে পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে আলীকদম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটির মোট ৮৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৬৫.০৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন।
আলীকদম সেন্ট মেরীস স্কুলে ৩৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২১ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৬১.৭৬ শতাংশ। তবে জিপিএ-৫ অর্জন করতে পারেনি কোনো শিক্ষার্থী।
আলীকদম মৈত্রী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫৩.৩৩ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠানেও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা শূন্য।
আলীকদম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ২৬ জন। পাসের হার ৪৫.৬১ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা শূন্য।
আলীকদম ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় মোট ৩৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৫ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৪১ শতাংশ। জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা শূন্য।
অন্যদিকে, উপজেলার তালিকায় তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে রয়েছে আবাসিক উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটির ৪৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ১৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৩১.১১ শতাংশ। এখানেও জিপিএ-৫ শূন্য।
চৈক্ষ্যং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ফলাফল নিয়ে ‘তথ্যের গোলকধাঁধা’ এদিকে আলীকদম চৈক্ষ্যং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ফলাফল নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে চরম বিভ্রান্তি। মোট পরীক্ষার্থী ৮৫ জন হলেও পাসের হার নিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যে রয়েছে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জসিম উদ্দিনের দেওয়া তথ্যমতে, পাসের হার ৫৪.৫৫ শতাংশ। বিপরীতে, বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষকের দেওয়া তথ্যে পাসের হার ৪০.৭০ শতাংশ বলে জানানো হয়েছে।
একই প্রতিষ্ঠানের ফলাফল নিয়ে দায়িত্বশীল দুই ব্যক্তির কাছ থেকে দুই ধরনের তথ্য আসায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে সঠিক ফলাফল কোনটি?
সাংবাদিকের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও দীর্ঘ সময়েও নিশ্চিত ও চূড়ান্ত তথ্য পাওয়া যায়নি। প্রায় তিন ঘণ্টা সময় অতিবাহিত হলেও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জসিম উদ্দিন ফলাফলের নির্ভুল তথ্য নিশ্চিত করতে পারেননি।
ফলাফল প্রকাশের মতো স্পর্শকাতর ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে এমন তথ্যের অসঙ্গতি শুধু বিভ্রান্তিই সৃষ্টি করে না, বরং শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট মহলের মধ্যে বিশ্বাসযোগ্যতা ও স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্নের অবকাশ তৈরি করে।
রাউজান প্রতিনিধি : : পানি সম্পদ মন্ত্রী মোঃ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এমপি এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন চট...বিস্তারিত
রাউজান প্রতিনিধি : : চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার দক্ষিণ রাউজানের বানিজ্যিক প্রাণকেন্দ্র নোয়াপাড়া পথেরহাট চত্বরে মাদ...বিস্তারিত
চকরিয়া প্রতিনিধি : : চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের শান্তিনগর এলাকায় গাছ কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রাশেদা বেগম (৩...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজে বিষাক্ত গ্যাসে আ...বিস্তারিত
রাউজান প্রতিনিধি : : চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)—এর ২০২৪ ব্যাচের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার দুর্গম কুরুকপাতা ইউনিয়নে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ম্রো সম...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited